বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
কিংবদন্তি গায়িকা লতা মঙ্গেশকর তার জীবনের শেষ রেকর্ডিং করেন ২০১৮ সালে। তবে সিনেমার জন্য নয়, পাঠ করেছিলেন গায়ত্রী মন্ত্র। আর তার গাওয়া শেষ দেশাত্মবোধক গান রিলিজ হয় ২০১৯ সালে। সুরসম্রাজ্ঞী লতার জীবনের শেষ পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ছিলো বীর জারা ছবি।
না ফেরার দেশে ভারতের নাইটিঙ্গল লতা মঙ্গেশকর। জীবদ্দশায় গেয়েছেন বহু গান। দেশাত্মবোধক থেকে রোমান্টিক একের পর এক সুপারহিট গান রেখে গেছেন তিনি যা থাকবে অমর হয়ে।
সুুর সাম্রাজ্যের এই সম্রাজ্ঞী রেকর্ডিং ছাড়েন অনেক আগেই। তবে বছর তিনেক আগে শিল্পপতি মুকেশ-নিতা আম্বানির মেয়ে ইশার বিয়ের উপহার হিসেবে গায়ত্রী মন্ত্র উচ্চারণ করেন এই কিংবদন্তী। বিশেষ বার্তা দিলেও অসুস্থতার কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাননি তিনি।
গান হিসেবে, ‘সৌগন্ধ মুঝে ইস মিট্টি কি’ লতার শেষ রেকর্ড। ময়ুরেশ পাইয়ের কম্পোজিশনে গানটি রিলিজ হয় ২০১৯ সালের ৩০ মার্চ। এটি ভারতীয় সেনার প্রতি উৎসর্গ করেন জাদুকরী কণ্ঠের লতা।
আর তার পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ছিলো যশ চোপড়া পরিচালিত বীর জারা ছবি। এতে তেরে লিয়ে, অ্যায়সা দেশ হ্যাঁয় মেরা, ইয়ে হাম আ গায়ে হ্যাঁয় কাহা, হাম তো ভাই জ্যায়সা হ্যাঁয়, দো পাল বেশ জনপ্রিয় ছিলো। ছবিটি মুক্তি পায় ২০০৪ সালে।
এদিকে লতার ৯২ বছরে পা রাখা উপলক্ষ্যে ২ দশক আগে তারই গাওয়া অপ্রকাশিত ঠিক নাহি লাগতা গানটি মুক্তি পায় ২০২১ সালে।
১৯৭৪ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সবচেয়ে বেশি গান গেয়ে স্বীকৃতি পান ভারতরত্ন লতা। বলা হয়, ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ২০টি ভারতীয় ভাষায় ২৫ হাজার একক, যুগল ও কোরাস গান রেকর্ড করেছেন তিনি। তবে এতে আপত্তি তোলেন প্রতিদ্বন্দ্বী মহম্মদ রফি।
তিনি দাবি করেছেন, লতার চেয়ে বেশি অর্থাত ২৮ হাজার গান আছে তার। পরে ১৯৮৪ সালে রফির মৃত্যুর পর, সে স্বীকৃতি পান লতা। তখন বলা হয়, তিনি গেয়েছেন ৩০ হাজার গান।